বয়ঃসন্ধির পাতায় পাতায়
পড়তে ভালো লাগেনা এই চিন্তা করেই আমরা কাটিয়ে দিই স্কুল জীবন। মনে হয় একটু ক্লাস পালাই, পিছনে বসে ঘুমাই, বা বন্ধুদের সংঘে আড্ডা, মাঠে ক্রিকেট, কারো বা গেমসের আসক্তি।
কিন্তু এসবের পাশে রবীন্দ্রনাথের ছুটি, হৈমন্তী, অপরিচিতা, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রেইনকোট, শরৎচন্দ্রের মহেশ, আবু ইসহাকের জোঁক আমাদের সবার বয়ঃসন্ধির পাতায় পাতায়…
পিছনে ফিরে জীবনকে একটু ওলটে পালটে দেখতো গেলেই মনে হয়,
ভালোলাগা বেশি স্কুল পালানোয়, পিছনে বসে ঘুমানোয় যতো সুখ কিংবা সবাই কমবেশি জীবনে ফটিক হতে চাই…
অথচো একটা বয়সের সামনে আসে, বিভূতিভূষণ, প্রেমে পরে আওড়াতে শিখি রবীন্দ্রনাথ, কিংবা চির উন্নত মম শীর!
ভাবি জীবন আসাদের শার্টের মতোন উদ্দীপিত চেতনাময় হোক!
তখন বয়স বেড়ে যায়। মনে হয় প্রথম চৌধুরীর ওপর স্কুল জীবনে খামোখা রাগ করেছিলাম। বই পড়া প্রবন্ধ পড়ে রসহীন তকমা দিতে ভুল করিনি। সেই বয়সে যদি একটু মগজে গেঁথে যেতো…
তাহলে ২৫ বছর বয়সে এসে আরো কয়েশ বই বেশি পড়া হতো। ব্রায়ান ট্রেসি, হিক্টোর গ্রেসিয়া, ভিক্টোর ফ্রাংকেল, অস্টিন ক্লিয়ন আরো আগেই পড়া হতো।
মনে অপেক্ষা করে একাডেমিক জীবনের ছুটির! তারপর নীলক্ষেত গিয়ে ৫-৭ হাজার টাকার বই কিনতে আর বারণ থাকবেনা!
এক পৃথিবী পড়বো ❤️